Posted by Aryan on 2026-01-16 14:06:57 |
Share: Facebook | Twitter | Whatsapp | Linkedin Visits: 15
এসআইআর হেয়ারিং ঘিরে চরম ভোগান্তি ও আতঙ্ক:দুই ভাই,দুই বোন হওয়া সত্ত্বেও ‘৬ জন’ দেখিয়ে নোটিশ,মানুষের পাশে এলাকার বিধায়ক তথা মন্ত্রী,ভয় না পেতে বার্তা
মালদা:;নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়াকে ঘিরে গোটা রাজ্যজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোগান্তি,বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে।নামের অক্ষরে সামান্য ভুল বা নথিগত অসংগতি থাকলেই হেয়ারিং নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।এর জেরে বয়স্ক, অসুস্থ সহ সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্লক অফিসে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকে অনুষ্ঠিত এসআইআর হেয়ারিংয়ে সামনে এসেছে একাধিক অভিযোগ।ভক্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা মেহেবুব আলম জানান,তাঁর স্ত্রীর পরিবারে দুই ভাই ও দুই বোন মোট চারজন সদস্য থাকলেও নির্বাচন কমিশনের নথিতে তাঁদের পরিবারকে ছয়জন দেখিয়ে হেয়ারিং নোটিশ পাঠানো হয়েছে।নোটিশ পেয়ে তাঁর স্ত্রী তারা খাতুন ব্লক অফিসে এসে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়ান।নিয়ম অনুযায়ী ছয় বা তার বেশি সদস্য থাকলেই হেয়ারিং হওয়ার কথা তাহলে চারজনের পরিবারে কেন এমন নোটিশ,তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের তরফে এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয় এই ঘোষণায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।বহু মানুষের অভিযোগ,কোন নথি গ্রহণযোগ্য আর কোনটি নয়—তা স্পষ্টভাবে জানানো হচ্ছে না।ফলে নাম বাদ পড়ে যাওয়ার ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন অনেকে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আন্দোলনের পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এই অবস্থায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে মাঠে নামে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী তজমুল হোসেন।তিনি মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন,কেউ যেন ভয় না পান তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ মানুষের পাশেই রয়েছে এবং তাদের সমস্যার সমাধানে পাশে থাকবে।
পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী তজমুল হোসেন নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্র সরকারের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন।তাঁর অভিযোগ,এসআইআর-এর নামে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানি ও বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া যেন স্বচ্ছ ও মানবিক হয় এই দাবিও তোলেন তিনি।
এসআইআর হেয়ারিং ও নথি সংক্রান্ত অস্পষ্টতার জেরে হরিশ্চন্দ্রপুরে যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে,তা এখন প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে।
ইংরেজিতে ট্রান্সলেট করে দাও